৮৩ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো বাংলাদেশ

0
20

bangladesh lost

টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজে লজ্জাজনকভাবে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল টাইগাররা। আশা ছিল, এখান থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস দিয়ে দ্বিতীয় তথা শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভালো কিছু করার।
কিন্তু কোথায় কী! ডেভিড মিলারের অতিমানবীয় ইনিংসে ২২৪ রানের পাহাড় গড়ল স্বাগতিকরা। সেই রান তাড়া করতে নেমে ৮৩ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো সাকিব আল হাসানের দল। তিন ফরম্যাটের একটি ম্যাচও না জিতে দেশে ফেরার বিমান ধরতে হচ্ছে টাইগারদের।

বাংলাদেশের ব্যাটিং যেন আজ ৫ বছর আগে ফিরে গেল। প্রোটিয়াদের দেওয়া রানের পাহাড় টপকাতে গিয়ে দলীয় ৩৭ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যান। ইমরুল (৬), অধিনায়ক সাকিব (২), মুশফিকুর রহিম (২) আর সাব্বির ৫ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। স্রোতের বিপরীতে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করে যাচ্ছিলেন ওপেনার সৌম্য সরকার। খেলেছিলেন দৃষ্টিনন্দন কিছু শট। অ্যারন ফাঙ্গিসোকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সীমানায় হেনড্রিক্সের তালুবন্দী হয়ে শেষ হলো তার ২৭ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ১ ওভার বাউন্ডারিতে ৪৪ রানের ইনিংস।

সৌম্য আউট হওয়ার পর দ্রুত প্যাভিলিয়নের পথ ধরলেন লিটন দাস (৯) এবং অভিজ্ঞ মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ (২৪)। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসাবে ফিলোকায়োর বলে ক্যাচ দিরেন ১৩ রান করা মেহেদী মিরাজ। ১ চার ১২ ছক্কায় ২৩ রান করলেন সাইফ উদ্দিন; কিন্তু বল ব্যয় করলেন তার চেয়ে বেশি, ২৬টি। তাসকিনের (৪) রান-আউটে ১৮.৩ ওভারে ১৪১ রানেই শেষ হলো বাংলাদেশের ইনিংস। প্রোটিয়া বাহিনী জয় তুলে নিল ৮৩ রানে। প্রথম টি-টোয়েন্টির মত আজও দলের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান করলেন সৌম্য সরকার।

এর আগে পচেফস্ট্রুমে আজ রবিবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ উইকেটে ২২৪ রানের পাহাড় গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও শুরুতেই ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। দলীয় ২৩ রানে সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে যান ম্যাঙ্গালিসো মোসেলে (৫)। পরের ওভারে বল করতে এসে অধিনায়ক জেপি ডুমিনিকেও (৪) বোল্ড করে দেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার। মারকুটে এবি ডি ভিলিয়ার্স তাণ্ডব শুরু করার আগেই (২০) তরুণ সাইফউদ্দিনের বলে ইমরুল কায়েসে তালুবন্দী হন।

অন্যপ্রান্তে ব্যাট চালিয়ে খেলছিলেন হাশিম আমলা। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরিটা এবার পেয়েই যাবেন। কিন্তু ৫১ বলে করেছিলেন ৮৫ রান করার পর তাকে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত করলেন সাইফ উদ্দিন। তবে সব শেষ করে দেন ‘কিলার মিলার’ খ্যাত ডেভিড মিলার। সাইফ উদ্দিনের এক ওভারে ৫ ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে যা দ্রুততম। ৩৬ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার এবং ৯টি ছক্কা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here