স্বামীর মর্যাদা চেয়ে এবার ছেলের অনশন!

0
104

rubel

এতদিন বিভিন্ন দাবিতে ছেলের বাড়িতে মেয়ের অনশনের বহু ঘটনা সামনে আসলেও এবার ঘটেছে তার উল্টোটা। ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্ত্রী দাবি করে অনশন শুরু করেছেন রুবেল (২২) নামে যুবক। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা থেকে রুবেল ওই স্কুলছাত্রীকে স্ত্রী দাবি করে অনশন শুরু করেন।

রুবেল (২২) একই উপেজলার ভানোর ইউনিয়নের কাচকালি এলাকার আসিরউদ্দিনের (কালুর) ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের আলোকছিপি গ্রামের ওহাব আলীর ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের সঙ্গে একই উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের কাচকালি এলাকার আসিরউদ্দিনের (কালুর) ছেলে অর্নাস পড়ুয়া রুবেলের (২২) দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি রুবেলকে বিয়ে করতে চাইলে বাবা ওহাব আলী বিয়ের বয়স হয়নি বলে মেয়েকে শাসন করেন।

তার কয়েকদিন পর অভিমান করে ওই স্কুলছাত্রী বিষপান করে আত্নহত্যার চেষ্টা করে। তখন পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর ওই স্কুলছাত্রী রুবেলের সঙ্গে ফের যোগাযোগ অব্যাহত রাখে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রুবেল ওই স্কুলছাত্রীকে স্ত্রী দাবি করে ওহাব আলীর বাড়িতে অনশন শুরু করেন। তবে ওহাব আলী রুবেলের কাছে বিয়ের প্রমাণ চাইলে রুবেল বিয়ের কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

অনশনরত যুবক রুবেল জানান, কিছুদিন আগে কোর্টের মাধ্যমে তারা বিয়ে করেন। তাই নিজ স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসেছেন তিনি এখানে এসেছেন।

তিনি বলেন, কিন্তু আমার স্ত্রীর বাবা আমাদের বিয়ে হয়েছে তা মানতে চাচ্ছেন না। আমি আদালতের কাগজপত্র আনার ব্যবস্থা করছি। আমার স্ত্রীকে না নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত এই অনশন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে মেয়ের বাবা ওহাব আলী বলেন, আমার মেয়ে মাত্র অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। এখনো সে নাবালিকা, বিয়ের বয়স হয়নি। রুবেল নামে ছেলেটি আমার মেয়েকে স্ত্রী দাবি করছে কিন্তু কোনো প্রমাণ দেখাতে পারছে না। রুবেলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে, তারা আসলে বিষয়টি সুরাহা করা হবে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জানান, অনশনের বিষয়টি জেনেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কারো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাছাড়া মেয়েটি যেহেতু নাবালিকা সেখানে আদালতের মাধ্যমে বিয়ের বিষয়টি সন্দেহজনক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here