সেনাসদস্যকে পেটাল পুলিশ, পুলিশকে গণধোলাই

0
83

Police mass uproot

রাজশাহীর চারঘাটে মোটরসাইকেল তল্লাশির নামে এক সেনাসদস্যসহ দুজনকে পিটিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী। শুক্রবার সন্ধ্যার পর উপজেলার বালাদিয়াড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের মারধরে আহতরা হলেন- সেনাসদস্য ইয়াসিন আরাফাত আকাশ (২৭) ও তার ভায়রা আশরাফুল ইসলাম (৩৩)। গণধোলাইয়ের শিকার দুই পুলিশ সদস্য হলেন- চারঘাট মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহিনুল আলম ও কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম।

স্থানীয়রা জানান, শ্বশুরবাড়ি এসে পাশের বাজারে চা পানের উদ্দেশে মোটরসাইলে চড়ে যাচ্ছিলেন আরাফাত আকাশ ও তার ভায়রা। তাদের সঙ্গে ছিল দশ বছরের শ্যালক ফিরোজ। এএসআই শাহিনুল আলম ও কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম মোটরসাইকেল আরোহী ওই সেনাসদস্যকে থামাতে সংকেত দেন। সংকেত না মেনে চলে যাচ্ছিলেন তারা। এসময় রাইফেলের বাট দিয়ে তাদের মাথায় আঘাত করে পুলিশ।

এতে মোটরসাইকেল থেকে পড়েন আরোহীরা। পরে আরেক দফা তাদের পেটায় পুলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ওই দুই পুলিশ সদস্যকে গণধোলাই দিয়ে আটকে রাখে। এসময় ভাঙচুর করা হয় পুলিশের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন। তিনি বলেন, সন্ধ্যায় ওই এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ে টহল দিচ্ছিলেন ওই দুই পুলিশ সদস্য। তারা মোটরসাইকেল আরোহী ওই সেনা সদস্যকে থামতে বলেন। কিন্তু তারা না থামায় ধাওয়া করেন মোটরসাইকেল নিয়েই। এসময় দুই মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে আহত হন সেনাসদস্যসহ ওই দুজন। এতে আহত হন ওই দুই পুলিশ সদস্যও। মোটরসাইকেল দুটিও আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে নিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান ও সদস্য সামাদ শাহ ছিলেন। পরে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।

জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, ভুল বোঝাবুঝি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে বিষয়টি নিষ্পত্তিও হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here