শ্যালো মেশিনের গর্ত থেকে নিখোঁজ নারীর লাশ উদ্ধার

0
20

ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইট গ্রাম থেকে নিখাঁজের ১ দিন পর ৩ সন্তানের জননী সখিনা খাতুনের (৩৫) লাশ শ্বশুড়বাড়ীর নিকটবর্তী একটি শ্যালো মেশিনের গর্ত থেকে পুলিশ বুধবার রাতে উদ্ধার করছে। শ্বশুড় শ্বাশুড়ী পলাতক রয়েছে। বুধবার রাতে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

শ্যালো মেশিনের গর্ত থেকে নিখোঁজ নারীর লাশ উদ্ধার

মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে ঐ গৃহবধূ নিখোজের পর বুধবার ১২ টার দিকে শ্বশুড় লাল মিয়া থানায় জিডি করে জিডির ৫ ঘন্টাপর এ লাশ উদ্ধার হয়।
উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইট গ্রামের হযরত আলী মেয়ে সখিনা খাতুনের (৩৫) সাথে পাশ্ববর্তী বাড়ীর লাল মিয়ার পুত্র মঞ্জুরুল হকের (৪০) ২০ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ১ বছরের পুত্র সন্তানসহ ৩ সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে শ্বশুড় শ্বাশুড়ীর নির্যাতন সইতে না পেরে ৫ বছর আগে আদালতে মামলা হয়। পরে সখিনাকে আবার বাড়ীতে আনে স্বামী। ১৮ মাস আগে সখিনার স্বামী মঞ্জুরুল হক বিদেশ পাড়ী জমায়।
মঙ্গলবার সখিনার পুত্র রনি (১) অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার টাকা নিয়ে শ্বশুড় লাল মিয়া ও শ্বাশুড়ী সুফিয়ার খাতুনের ঝগড়া হয়। সে দিন রাত ১১ দিকে গৃহবধূ ঘর থেকে নিখোজ হয়। পরের দিন বুধবার বিকাল ৪ টার দিকে বাড়ীর পাশ্ববতী শ্যালো মেশিনের গর্তে ডুবন্ত অবস্থায় সখিনার লাশ পাওয়া যায়।
সখিনার ভাই আঃ মান্নান জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে দুলাল ও হালিম নামের দুজন আমাদের বাড়ী আসে সখিনাকে খুজতে। সেদিন রাতে ও পরের দিন সখিনাকে খোজখুজি করা হয়। তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি। বুধবার হালিমকে সাথে নিয়ে সখিনার শ্বশুড় লাল মিয়া থানায় জিডি করতে যায়। জিডি করার ৫ ঘন্টা পর বিকাল ৪ টার দিকে বাড়ীর পাশ্ববর্তী শ্যালো মেশিনের গর্তে ডুবন্ত অবস্থায় আমার বোনের লাশ পাওয়া যায়। আমার বোনের সাথে মাঝে মধ্যেই শ্বশুড় শ্বাশুড়ীর ঝগড়া বিবাদ হত। আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করে লাশ ঐ গর্তে ফেলা হয়েছে।
ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবুল খায়ের জানান, শ্বশুড় শ্বাশুড়ী পলাতক রয়েছে এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পুলিশি তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here