শ্বশুরবাড়িতে শৌচাগার না থাকায় স্বামীকে ডিভোর্স

0
33

শ্বশুরবাড়িতে প্রয়োজনীয় সব আছে, কিন্তু কোনো শৌচাগার নেই। ফলে দিনেরবেলা বাধ্য হয়ে প্রাকৃতিক ডাক চেপে রাখতেন ভারতের রাজস্থানের এক গৃহবধূ। অপেক্ষা করতেন সূর্যাস্তের। রাত নামলেই ছুটতেন মাঠের দিকে। বিয়ের পর টানা চার বছর এভাবেই কাটে তার। 

শ্বশুরবাড়িতে শৌচাগার না থাকায় স্বামীকে ডিভোর্স

কিন্তু এভাবে আর কতোদিন। স্বামী শৌচাগার নির্মাণ না করায় কয়েক মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন তিনি। শুক্রবার রাজস্থানের ভিলওয়ারার পারিবারিক আদালত বিচ্ছেদের পক্ষে রায় দেন। একই সঙ্গে ওই স্বামীর আচরণকে ‘নিষ্ঠুরতা’ ও ‘নারীদের জন্য অপমানজনক’ বলে মন্তব্য করেন আদালত।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে বলা হয়, ২০১১ সালে ভিলওয়ারার বাসিন্দা এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয় ওই গৃহবধূর। শ্বশুর বাড়িতে আসার পর থেকেই দেখেন কোনো শৌচাগার নেই। পরিবারের সবাই বাধ্য হয়ে মাঠে গিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেন। প্রথমদিকে পরিবারের অন্য নারীদের মতো তিনিও তাই করতেন। কিন্তু এক পর্যায়ে এতে চূড়ান্ত অপমানিত বোধ করতে থাকেন তিনি।

বিয়ের কয়েক মাস পর থেকে তাই স্বামীকে বাড়িতে শৌচালয় নির্মাণের অনুরোধ করেন। কিন্তু স্বামী তার কথায় কান না দিয়ে জানান, এটাই গ্রামের রীতি। এতে অপমানিত বোধ করার কিছু নেই।

এভাবে ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত স্বামীকে শৌচাগার নির্মাণের অনুরোধ করে যেতে থাকেন ওই গৃহবধূ। কিন্তু স্বামীর কোনো উদ্যোগ না দেখে ২০১৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন তিনি। টানা দু’বছর মামলা চলার পর শুক্রবার বিচ্ছেদের পক্ষে রায় দেন আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here