শীতকালে যেসব খাবারে অ্যাজমা বাড়ে

0
47

Inhaler

আসছে শীতকাল। এ ঋতুতে ধুলাবালির প্রকোপ বেড়ে যায়। হাঁচি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়াসহ আরও নানারকম অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দেখা দেয় এসময়। অ্যাজমা আক্রান্তদের জন্যেও ঋতুটা বিপদজনক।

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রয়েছে, তাদের শীতকালে অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় বেশি ভুগতে হয়। অ্যালার্জির কারণে শ্বাসকষ্টও বেড়ে যায় বহুগুণে।

কিছু কিছু খাবার আছে যা ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব খাবার এড়িয়ে চললে এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হয়তো শ্বাসকষ্ট থেকে কিছুটা হলেও দূরে থাকতে পারবেন।

টক জাতীয় ফলটক জাতীয় ফল
লেবুবর্গীয় কিছু ফল আছে যেগুলোতে সিট্রাস (Citrus) বিদ্যমান। যেমন- কমলালেবু, মাল্টা, লেবু ইত্যাদি। এসব ফল ভিটামিন-সি’তে পরিপূর্ণ হলেও অ্যালার্জি ও অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। শুধু শীতকালে এ ধরনের ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ঠাণ্ডা দুগ্ধজাত খাবারঠাণ্ডা দুগ্ধজাত খাবার
অ্যাজমা রোগীদের উচিত বিভিন্ন ঠাণ্ডা দুগ্ধজাত খাবার যেমন- ঠাণ্ডা দুধ, আইসক্রিম, দই, পনির ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা। এসব খাবার শ্বাসকষ্টের জন্ম দেয়। এছাড়াও সর্দি-কাশির সম্ভাবনা বাড়ায়।

ফাস্টফুড
ফাস্টফুড শুধু দেহের ওজনের জন্যই ক্ষতিকর নয়, ফুসফুসেও মারাত্মক প্রভাব ফেলে এ খাবার। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ফাস্টফুড জাতীয় খাবার গ্রহণে শিশুদের অ্যাজমা প্রবণতা ২৭ শতাংশ বাড়ে। গবেষকরা মনে করেন, ফাস্টফুডের উচ্চমাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট অস্থায়ীভাবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে ফেলে। ফলে অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্রিজারভেটিভ
খাবারকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখতে বিভিন্ন প্রকার প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়। অ্যাজমা রোগীদের মূলত পটাশিয়াম বাইসালফাইট ও সোডিয়াম সালফাইট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। এসব প্রিজারভেটিভ উপাদান অ্যাজমার জন্য ক্ষতিকর। খাবারের প্যাকেটে এতে ব্যবহৃত প্রিজাভেটিভ উপাদান লেখা থাকে। যদি এ দুটি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here