মাঠ কাঁপাতে আসছে ব্রি-৮১, হেক্টরে উৎপাদন ৬.৫ টন

0
246

Rice

কৃষকের মাঠ কাঁপাতে আসছে নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান ব্রি-৮১। বোরো মৌসুমে সারা দেশে চাষাবাদের উপযোগী এই ধান দেখতে অনেকটা জিরাশাইলের মতো। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন হবে প্রায় সাড়ে ছয় টন। আগামী বোরো মৌসুমে মাঠে আসবে নতুন জাতের এ ধান।

বর্তমানে দেশে মোট ৭৯ প্রজাতির ধান আছে। ব্রি-৮১ দিয়ে ধানের জাতের সংখ্যা হবে ৮০টি। তবে ব্রি-১৩ জাতের ধানটি এখন দেশে নেই।

সোমবার নগরীর শেরে বাংলানগর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত উন্নয়ন মেলা-২০১৭’তে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআরআই) নতুন ধান প্রদর্শন করছে।

এই জাতটি বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় জাত ব্রি-২৮ এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে জমিতে। কারণ একই জমিতে ব্রি-২৮ ধান বার বার চাষাবাদের ফলে উৎপাদন কমছে। এই চিন্তা মাথায় রেখে ধানটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। ধানের গাছটি প্রতিকূল আবহাওয়ায় ঢলে পড়বে না। এর জীবনকাল ১৪০ থেকে ১৪৫ দিন ।

এই নতুন জাতের ধানের বিশেষত্ব হলো, চাল লম্বা হয়। এ ধান উচ্চমাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ। রান্না করার পর ভাত ঝরঝরে হয়। সুগন্ধ ছাড়া প্রিমিয়াম কোয়ালিটি সরু চাল বিদেশে রফতানি করা সম্ভব হবে।

বিআরআরআই-এর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নিলুফা ফেরদৌস বলেন, মানুষের ভাতের পছন্দের ও উৎপাদনের কথা চিন্তা করেই ধানটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। আমরা পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই জাতের ধানটি স্বল্প পরিসরে উৎপাদন করেছি। হেক্টর প্রতি ছয় থেকে সাড়ে ছয় টন ধান উৎপাদন সম্ভব। ভাত লম্বা ও ঝরঝরে হয়ে। দারুণ সুগন্ধি যুক্ত চাল বিদেশে সহজেই রফতানি যোগ্য হবে বলে আমরা আশা করছি। পরবর্তী বোরো মৌসুমে মাঠে আসবে ধানটি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here