বাজারে ছেয়ে গেছে ‘ক্ষতিকারক’ রাসায়নিক চিনা রসুন…! চিনবেন কীভাবে ?

0
154

Chemical Chinese Garlic

রসুন নিয়ে ফের দ্বৈরথ শুরু ভারত বনাম চিনের। গোটা বিশ্বের বাজারে যত রসুন বিক্রি হয়, তার ৮০ শতাংশের জোগানদাতা চিন। তবে এই চিনা রসুন স্বাস্থ্যের পক্ষে আদৌ ভাল নয়, এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষকরা।

গবেষনায় দেখা গিয়েছে, চিনে যে রসুন উৎপাদিত হয়, তাঁর মধ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যায়। পরীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে, চিনে উৎপাদিত রসুনে বেশিমাত্রায় মিথাইল ব্রোমাইড ছাড়াও রয়েছে সিসা ও সালফাইড। গবেষকরা বলছেন, এই সমস্ত রাসায়নিক স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেই সুবিধের নয়। পাশাপাশি, এই পদার্থগুলি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।

শরীরে শ্বাসতন্ত্র ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকেও বিকল করে দেয় এই রসুন। এতেই শেষ নয়, রসুনকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে ক্লোরিন ব্লিচ করা হয়, এটাই মারাত্মক ক্ষতি করে মানশরীরে।

চিন বিভিন্ন দেশে রসুন রপ্তানি করার সময় রাসায়নিক স্প্রে করে। রসুনে যাতে গেঁজ না ধরে, সেজন্য জাহাজে ওঠানোর আগে রাসায়নিক স্প্রে করতে হয়। ব্লিচ করা হয় মূলত, রসুনের গায়ের কালো ছোপ দূর করার ক্ষেত্রে। যদিও চিন জানিয়েছে, তাঁরা জৈবরসুন রপ্তানি করে। তবে এই জৈব রসুনও সমান ক্ষতিকর।

তবে কীভাবে চিনা রসুনের থেকে সতর্ক থাকবেন? চিনা রসুন চেনা মোটেও কঠিন কাজ নয়। বাজারে ঝকঝকে দাগবিহীন রসুন দেখে আহ্লাদিত হওয়া উচিত নয়। এই সুন্দর রসুন হতে পারে চিনা। দেশীয় রসুনের তুলনায় আমদানিকৃত চিনা রসুন আয়তনে এক হলেও, ওজনে যথেষ্ট হালকা। রসুন যাতে পচে না যায়, সেজন্য জল বের করে নেওয়া হয়, তাই চিনা রসুন ওজনে যথেষ্ট হালকা। তাছাড়া চিনে রসুনের শিকর বাকরও থাকে না।

তাই দেশীয় রসুনের জৌলুস না থাকলেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশীয় রসুনেই আস্থা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here