প্রসব বেদনা সহ্য করতে না পেরে, নিজের সিজার নিজেই করেছিলেন, জানলে অবাক হবেন !!

0
177

sijar won

প্রসব-বেদনা-সহ্য-১২ ঘন্টা ধরে প্রসব বেদনা চলছে। কোনো ভাবেই বাচ্চা হচ্ছিল না। আশে পাশে কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক নেই যে হুট করে চলে যাবে। বাইরেও ঝুম বৃষ্টি। মনে হচ্ছে যেন থ্রি ইডিয়টস সিনেমার কাহিনী বলছি। কিন্তু না, এটা সত্যি ঘটনা।

আশে পাশে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না যে খবর দিবে। পাশে ৭ বছরের একটা ছেলে। মায়ের যন্ত্রনায় সেও ফুপিয়ে কান্না করছে। পুরো গ্রামে ৫০০ জন মানুষের বসবাস। কিন্তু সবার বাড়ি গুলো দুরে দুরে। সুতরাং তার চিৎকার শুনে কেউ আসল না।

পরে প্রসব বেদনা সইতে না পেরে হাতের কাছে একটা চাকু ছিল, সেটা দিয়ে নিজেই নিজের তলপেট কাটা শুরু করলেন। প্রথমে চামড়া, পরে মাংস আলাদা করলেন। তারপর জরায়ু নিম্নাংশ কেটে নিজেই নিজের বাচ্চা বের করলেন। সাথে সাথেই বাচ্চা কান্না শুরু করলো। কিন্তু যখন বাচ্চার ফুল আলাদা করলেন তখন অজ্ঞান হয়ে গেলো।

পরে তার ৭ বছরের বাচ্চা বৃষ্টি ভিজে দুরের এক হেলথ এসিস্ট্যান্ট কে ডেকে আনল। ওই অর্ধমৃত অবস্থায় প্রায় ৮ কিলোমিটার দুরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলো। মজার বিষয় হলো – মা ও বাচ্চা দুজনেই সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় বেঁচে যান।

এটা ২০০০ সালের মার্চ মাসের ৫ তারিখের ঘটনা। মেক্সিকোর ওক্সাকা স্টেটের এক দূরবর্তী গ্রামে। ঐ অসীম সাহসী নারীর নাম ” র‍্যামিরেজ পেরেজ”। তিনি যেই চাকু ব্যবহার করেছিলেন সেটা ৬ ইঞ্চি লম্বা, আর কাটার দৈর্ঘ্য ছিল ৭ ইঞ্চি।

র‍্যামিরেজই পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র নারী যিনি নিজেই নিজের সিজার অপারেশন করেন। এবং এটা আমেরিকান গাইনোকলজি ও অবসেট্রেটিক সোসাইটি দ্বারাও স্বীকৃত। একজন নন মেডিকেল পারসনের এমন মেডিকেল জ্ঞান ও উপস্থিত বুদ্ধি সাড়া দুনিয়া জোড়া চিকিৎসকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here