নাগরিক হ্নদয়ে…

0
144

 

নাগরিক হ্নদয়ে...

এই শহরে একদিন সবুজ ছিলো;
আর এই হ্নদয়ে একদিন দহন ছিলো।
এর পরে সব এলোমেলো করে দিলো-
দূর্নিবার সময়ের অর্বাচীন ঘড়ি,
এর পরে উদাও হলো!
সেই সব ঢেউয়ে ফেরা-
সমুদ্র পাড়ের তুচ্ছ কড়ি।

সেই সব নীল আকাশ;
আর ডান ঝাপটানো পাখিদের দলবল।
ওসবের থেকে মুখ ফিরিয়ে;
তুমি খুঁজে ফেরো কি আজ নিজের সম্বল।

আর খুঁজে লাভ নেই,
বীভৎস নগরের ছায়বাজদের।
আর বুঝে লাভ নেই –
এই সব ত্রিমাত্রিক চোরদের ।

এখন শুধু স্মৃতি হাতড়াও বোকা নগরের দীর্ঘশ্বাঃসে।
এখন বেঁচে থাকো শুধু বাঁচবার বিশ্বাসে।

এখন জানি না কতদিন ধরে;
মায়াবী জোৎস্না তোমায় ছুঁতে পারে না।
এখন জানি না সেই সব মতাল হাওয়া;
কতদিন ধরে আর আমার শার্টের বোতাম খোলে না।

এসবের হিসাব আর তুমি রাখো কি!
এসবের ক্ষত গুলো ছুঁড়ে-
আর্বজনায় ফেলেছো কি ?
কি জানি..

হয়তোবা ভুলে গেছ সব নাগরিক ক্রন্দনে।
হয়তোবা মুছে ফেলেছো স্মৃতি বর্জিত নিউরনে।

তারপর!
তারপরে আর কিছুই থাকে না আমার;
শুধু হ্নদয়ের মানচিত্রে জমে থাকে-
তোমার মহাজাগতিক কালো দাগ!

এরপর!
এরপরে আর কিছুই থাকে না আমার;
শুধু নিউরনে থেকে যায়- ব্যাতিথ স্মৃতিদের দু- টুকরো ভাগ।

                        তারপর!

হ্যাঁ তার পরেও………
এক খন্ডিত জীবন হেঁটে যায়  দুর্বোধ্য বন্দরে।
তার পরেও তোমার নামে পোস্টার ছাপা হয়-
এক নাগরিক হ্নদয়ের অন্দরে।

এর পর!
হ্যাঁ এর পরেও…
আমার নিঃশ্বাসে ভিড় করে শুধু বিষাক্ত কার্বন,
এর পরে তোমার -আমার বিশ্বাসে জমা হয়-
এক খন্ডিত বিভাজন।

–বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
(কবি ও লেখক এবং অনলাইন এক্টিভিস্ট)
Email:[email protected]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here