দেশের প্রথম ইকো যাত্রী ছাউনি! যা যা থাকবে এই ছাউনিতে

0
36

Echo passenger camp

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মানিকছড়িতে নির্মিত হচ্ছে নান্দনিক যাত্রী ছাউনি। সার্বক্ষণিক আলোর জন্য যাত্রী ছাউনিতে থাকবে সৌর বিদ্যুতের সংযোগ। যাত্রী ছাউনির ছাদে শোভা পাবে দৃষ্টিনন্দন ফুলের বাগান। বাগানে থাকবে বাহারি ফুল।

মহাসড়কের পাশেই নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম ইকো যাত্রী ছাউনি। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থীর নকশায় এই দৃষ্টিনন্দন যাত্রী ছাউনি নির্মিত হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশেই যাত্রী ছাউনির কাজ করছেন শ্রমিকেরা। রাজমিস্ত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, নকশা অনুযায়ী কাজ করতে একটু কষ্ট হচ্ছে। এমন কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। কাজ শেষ করতে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আহসান উদ্দীন মুরাদ বলেন, এখানকার অধিকাংশ যাত্রী ছাউনি গতানুগতিক এবং টেকসই না হওয়ার কারণে অল্পদিনেই তা ব্যবহার উপযোগী থাকে না। কয়েকদিন পরই যাত্রী ছাউনিগুলো পরিত্যক্ত হয়ে যায়। তাই এই ভিন্ন পরিকল্পনা।

তিনি বলেন, চুয়েটের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রকৌশলীরাও এই কাজে সহযোগিতা করছেন। অর্থ সংকটের কারণে প্রাথমিকভাবে নান্দনিক নকশার একটি যাত্রী ছাউনির কাজ এগিয়ে চলছে। অর্থ বরাদ্দ পেলে স্থান নির্বাচন করে আরও চারটি ইকো যাত্রী ছাউনি বানানোর পরিকল্পনা আছে। ছাউনির দেয়ালের দুপাশে থাকবে রঙিন গ্লাস এবং দৃষ্টিনন্দন বেঞ্চ। দেয়ালের বাইরের অংশ থাকবে পাহাড়ে প্রকৃতির আদলে তৈরি দেয়ালচিত্র।

মানিকছড়ি গিরীমৈত্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, যাত্রী ছাউনি না থাকায় রোদ-বৃষ্টিতে পথচারীদের ভোগান্তিতে পোহাতে হয়। এই ইকো যাত্রী ছাউনি নির্মাণ কাজ শেষ হলে এলাকার স্থানীয় জনগণ ও পথচারীরা উপকৃত হবে। সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকায় রাতের বেলায়ও এটি ব্যবহার করা যাবে।

মানিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: শফিকুর রহমান ফারুক বলেন, লোকাল গভর্নেন্স সাপোর্ট প্রজেক্টের এলজিএসপি-৩ অর্থায়নে মানিকছড়ি গিরীমৈত্রী কলেজের পাশে গচ্ছাবিল এলাকায় নির্মিত হচ্ছে ইকো যাত্রা ছাউনি। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মানিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here