দেখুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়ি, দেখলে চোখ ফেরাতে পারবেন না !!

0
159

বাংলাদেশের সবচেয়ে বিলাসবহুল বাড়ি

 

 

 

আরও পড়তে পারেন:

বদলে গেল মায়ান্তির পরিচয়। মহিলা থেকে হয়ে গেলেন পুরুষ,কিন্তু কেনো…

মায়ান্তি ল্যাঙ্গারকে নিয়ে আবার সরব সোশ্যাল মিডিয়া। এই সুন্দরী মহিলা সঞ্চালিকাকে নিয়ে অতীতে কম কালি খরচ হয়নি। মাঝে সব বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবার নতুন করে ভক্তরা তাঁকে ট্রল করতে শুরু করে দিয়েছেন। দিনকয়েক আগে মায়ান্তির স্বামী স্টুয়ার্ট বিনি তাঁর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের কমেন্ট বক্স ব্লক করে দিয়েছিলেন। যার ফলে ভক্তদের গঞ্জনা আর শুনতে হচ্ছিল না বিনিকে।

এ বার নতুন করে মায়ান্তি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এয়ারপোর্টে তাঁকে ‘মিস্টার মায়ান্তি’ বলে স্বাগত জানানো হয়েছে। এটা নিছকই ভুল। ইচ্ছাকৃত ছিল না। কটকে অনুষ্ঠিত ভারত-ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচের সঞ্চালনা করতে গিয়েছিলেন মায়ান্তি। সেই সময়ে বিমানবন্দরে তাঁকে ‘মিস্টার’ বলে স্বাগত জানানো হয়। সেই ছবিই মায়ান্তি পোস্ট করেন নিজের অ্যাকাউন্টে। আর তার পরেই শুরু হয়ে যায় ভক্তদের ট্রল। স্টুয়ার্ট বিনিকে নিয়েও কটু কথা বলতে শুরু করে দেন ভক্তরা। মায়ান্তি অবশ্য এই বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি।

এর আগেও স্টুয়ার্ট বিনি ও মায়ান্তি ল্যাঙ্গারকে নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়া।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হওয়ার পরেও মায়ান্তিকে নিয়ে চলে বিতর্কের পর বিতর্ক ৷ সেই সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি ম্যাচে এক ওভারে ৩২ রান দিয়েছিলেন বিনি ৷ তার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে ওঠে ঝড় ! যার থেকে রেহাই পাননি মায়ান্তিও ৷

এই সমালোচনা ও কটূক্তির যথাযথ জবাব দিতে একসময়ে নিজেই মাঠে নামেন বিখ্যাত স্পোর্টস অ্যাঙ্কর মায়ান্তি ৷ ট্যইটারে ভক্তদের উদ্দেশে একটা চিঠিই লি্খে ফেলেছিলেন তিনি। সেই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, `কেউ প্রিয় মানুষের মৃত্যু চায় না। বিশ্রী ছবি পাঠিয়ে অপমানও করে না। আত্মহত্যার কথা বলে আমার প্রতি যে তীর্যক মন্তব্য করা হয়েছে তা লজ্জার। এ রকম পরিস্থিতিতে যে সব পরিবার পড়েছে, তাদের দুঃখের কথা না ভেবে আপনারা তা নিয়ে তামাশা করছেন। ভেবেছিলাম আপনারা ভালবাসা ও বিশ্বস্ততার অর্থ বোঝেন। কিন্তু ডিভোর্সের কথা বলে আপনারা বুঝিয়ে দিয়েছেন সেটা আপনাদের মধ্যে নেই। ১৮ বছর বয়স থেকে কাজ করছি আমি।

আমাকে অর্থলোভী বলে গালমন্দ করার চেয়ে পরিবারকে ভাল রাখার চেষ্টা করুন। মনে হয় আমাকে অপমান করে আপনারা খুব আনন্দ পেয়েছেন। না হলে এ ধরনের মন্তব্য করার কী যুক্তি থাকতে পারে?

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here