জীবন ধারণের জন্য যে কাজ করতেন বিল গেটস! জানলে অবাক হবেন

0
18

bil-gates

শিরোনাম দেখে অবাক হলেও প্রকৃপক্ষেই এমনটা দাবি করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে শীর্ষ ধনী ব্যক্তি বিল গেটস।

সম্প্রতি এক ব্লগ পোস্টে বিল গেটসকে প্রশ্ন করা হয়, বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ এখনো দারিদ্র সীমার নিচে জীবন-যাপন করে।
এমতাবস্থায় আপনাকে যদি মাত্র ২ ডলারে জীবন ধারণ করতে হত তাহলে কী করতেন?

উত্তরে বিল গেটস জানান, জীবন ধারণ করতে তিনি মুরগী লালন করতেন!

এছাড়া বিল গেটস আরও লিখেছেন, ‘এর কোনো একটি সঠিক উত্তর নেই। আর ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দারিদ্রের চেহারাও ভিন্ন ভিন্ন। ’

‘তবে আমার গড়া বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে কাজ করতে গিয়ে আমি দরিদ্র দেশগুলোতে এমন অনেক মানুষের দেখা পেয়েছি যারা মুরগী পালন করেন। আর আমি এই পাখিটির লালন-পালন সংক্রান্ত খুটিনাটি সব তথ্য জেনেছি। এ থেকে আমি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছি যারা চরম দারিদ্রের মধ্যে আছেন তারা যদি মুরগী পালেন তাহলে তাদের অবস্থার উন্নতি হতে পারে। ’

বিল গেটস জানান, মুরগী পালনের প্রধান কারণগুলো হলো; মুরগী দামে সস্তা এবং তাদের যত্ন নেওয়াও সহজ। তারা একটি ভালো বিনিয়োগ। মুরগীর মাংস খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর মুরগী পালন করে এমনভাবে আয় করা সম্ভব যাতে নারীদের ক্ষমতায়ন সম্ভব।
এবং নারীরা উদ্যোক্তার ভুমিকায়ও আসতে পারেন এর মাধ্যমে।

টেক ইনসাইডারের ক্রিস ওয়েলার জানান, ‘পশ্চিম আফ্রিকায় ভ্রমণ এবং গবেষণা করে গেটস দেখতে পেয়েছেন মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ৮-১০টি মুরগীর একজন মালিক ৪০টি মুরগী উৎপাদন করতে পারেন। যার প্রতিটি মুরগীর দাম হয় ৫ ডলার। এ থেকে বছরে ১ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। চরম দারিদ্র হলো বছরে ৭০০ ডলারে জীবন ধারন। ’

বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন হেইফার ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি দাতব্য সংস্থার সঙ্গে মিলে বিশ্বব্যাপী দরিদ্র পরিবারগুলোকে গবাদি পশু দিয়ে সহায়তা করার কাজ করছে। আর সাব-সাহারান আফ্রিকার ৩০% পরিবারকে মুরগী পালনে সহায়তা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

গেটস বলেন, ‘আমার কথা শুনে হয়তো ফানি মনে হতে পারে। কিন্তু আমি যা বলছি তা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। ’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here