চালক ছাড়াই ১৩ কিমি পাড়ি রেলের ইঞ্জিনের, তারপর যা ঘটল

0
95

train_without driver

চালক নেই। কিন্তু, রেললাইন ধরে ছুটে চলেছে ইঞ্জিন! বাইক নিয়ে চলন্ত ইঞ্জিনের পিছু নিলেন আতঙ্কিত চালক। প্রায় ১৩ কিমি ধাওয়া করার পর, কোনওমতে ইঞ্জিনটি থামালেন তিনি। অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই ঘটনা কর্নাটকের ওয়াদি জংশন স্টেশনে।

সম্প্রতি একের পর এক রেল দুর্ঘটনায় আতঙ্কিতরেলযাত্রীরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চালক-সহ রেলকর্মীদের গাফিলতির দিকেই অভিযোগ আঙুল উঠেছে। কিন্তু, ওই ইঞ্জিনটিতে তো চালকই ছিলেন না। তাহলে কীভাবে সেটি চলতে শুরু করল? তা নিয়ে সন্দিহান রেলকর্মীরাই। ঘটনায় রীতিমতো হতবাক তাঁরা। রেল সূত্রে খবর, কর্নাটকের গুলবর্গা জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন ওয়াদি। বুধবার দুপুরে ওয়াদি স্টেশনে এসে পৌঁছয় মুম্বইগামী মুম্বই মেল। কিন্তু, ওয়াদি থেকে মহারাষ্ট্রে শোলাপুর পর্যন্ত লাইনে বৈদ্যুতিকরণের কাজ এখনও শেষ হয়নি। ওই রুটে সমস্ত ট্রেনই ডিজেল ইঞ্জিনে চলে। তাই ওয়াদি স্টেশনে মুম্বই মেলেরও ইলেকট্রিক ইঞ্জিনটি খুলে ডিজেল ইঞ্জিন লাগানো হয়। এরপর শোলাপুরের দিকে রওনাও হয়ে যায় ট্রেনটি। কিন্তু, এরপরই ঘটে বিপত্তি। মুম্বই মেল চলে যাওয়ার পর, লাইনে দাঁড়িয়েছিল ইলেকট্রিক ইঞ্জিনটি। চালকও নেমে গিয়েছিলেন। কিন্তু, আচমকাই সকলের নজর এড়িয়ে তরতরিয়ে চলতে শুরু করে ইঞ্জিনটি! বিষয়টি নজরে আসতেই প্রথমেই ওয়াদি পরবর্তী বেশ কয়েকটি স্টেশনে লাইন ও সিগন্যাল ফাঁকা রাখার বার্তা পাঠানো হয়। কিন্তু, ইঞ্জিন তো তরতরিয়ে ছুটে চলেছে! সেটি থামাবে কে? ওয়াদি স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার ও ইঞ্জিনের চালক একটি বাইক নিয়ে চলন্ত ইঞ্জিনের পিছনে ধাওয়া করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রায় ১৩ কিমি পথ পাড়ি দেওয়ার পর, আপনা থেকেই ইঞ্জিনের গতি কিছুটা কমে যায়। তথনই কোনওমতে ইঞ্জিন উঠে, সেটি থামান চালক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here