অস্ত্রের তালিকায় ভয়ঙ্কর সাত অস্ত্র

0
8

Seven arms

কনডম বোমা
আইএসের হাতিয়ার কনডম বোমা। কনডমের আস্তরণে এই অদ্ভুত বোমা কনডমের মধ্যেই বিস্ফোরক ঢুকিয়ে তৈরি করা হয়। এই বোমা নিক্ষেপ করলে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

জীবাণু অস্ত্র
উত্তর কোরিয়ার জীবাণু অস্ত্র ছড়িয়ে দিতে পারে গুটি বসন্ত থেকে প্লেগের মতো ভয়ঙ্কর রোগ৷ এই ‌জীবাণু অস্ত্র উৎপাদনের জন্য উত্তর কোরিয়ার কমপক্ষে তিনটি জীবাণু অস্ত্র উৎপাদন ইউনিট রয়েছে৷ ১৯৬০-এর দশকেই রাসায়নিক এবং জীবাণু অস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করেছিল উত্তর কোরিয়া৷ ১৯৫০-১৯৫৩ সালের মধ্যে উত্তর কোরিয়ায় টাইফাস জ্বর, টাইফয়েড, কলেরা ও গুটি বসন্তে অনেকের মৃত্যু হয়েছিল৷ এজন্য আমেরিকাকে দায়ী করে উত্তর কোরিয়া৷

মাইক্রোওয়েভ ট্যাঙ্ক
‘মাইক্রোওয়েভ ট্যাঙ্ক’ তৈরির কথা ঘোষণা করেছে রাশিয়া। এই ‘ট্যাঙ্ক’ দিয়ে ড্রোন, বিমান, যুদ্ধবিমান বা গাইডেড মিসাইলের ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থা অকেজো করে ফেলা যাবে। একইসাথে মিসাইলটি অচল হয়ে পড়বে। অতি উচ্চ-কম্পাঙ্ক বা সুপার হাই-ফ্রিকোয়েন্সি (এসএইচএফ) যুক্ত এই ভ্রাম্যমাণ কামান দেশের সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। এই কামান যেখানে স্থাপন করা হবে, তার চারপাশের ১০ কিলোমিটার জুড়ে কাজ করতে সক্ষম হবে। নেটওয়ার্ক এলাকায় যেকোনো দিক থেকে আগত বিমানের বিরুদ্ধে অর্থাৎ ৩৬০ ডিগ্রি জুড়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এই ট্যাঙ্ক। রাশিয়া নির্মিত টকব্যাক বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার জন্য ব্যবহৃত মিসাইলের উপর এই এসএইচএফ ট্যাঙ্ক বসানো যাবে। এ ধরণের ট্যাঙ্ক বিশ্বের আর কোনো দেশের কাছে নেই বলে দাবি করেছে রাশিয়া।

ব্ল্যাকআউট বোমা
দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছে শুধুমাত্র একটি ‘ব্ল্যাকআউট’ বোমার আঘাতেই কিমের অস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস করে দিতে সক্ষম তারা। পরমাণু মিসাইলের প্রয়োজন নেই। দরকার হবে না সেনা অভিযানেরও। কিম আক্রমণ করার চেষ্টা করলেই এই বোমাটি ব্যবহার করা হবে। এই বোমার বিস্ফোরণে বিকল হয়ে যাবে সমস্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, অন্ধকারে ডুবে যাবে কিমের দেশ। বিকল হয়ে যাবে পারমাণবিক মিসাইল ছোড়ার সমস্ত কম্পিউটার। ফলে কোনোভাবেই হামলা চালাতে পারবে না কিমের সেনারা। বোমাটির বিস্ফোরণ হলে তা থেকে তৈরি হবে এক ধরনের গ্যাস। ওই গ্যাসে অন্যান্য পদার্থের সঙ্গে থাকা গ্রাফাইট বিদ্যুতের তারে বা যন্ত্রপাতিতে শর্ট সার্কিট ঘটিয়ে তা বিকল করে দেবে, তবে কোনো মানুষের মৃত্যু ঘটাবে না। ফলে জনবহুল এলাকাতেও ব্যবহার করা যাবে এই বোমা।

একে-১০০
একে পরিবারের এই বন্দুক তৈরি করতে খরচ পরে বেশ কম। রুশ সেনাদের অস্ত্রাগারে রয়েছে এই রাইফেল।

একে-৭ফোরএম
একে পরিবারের আরো এক সদস্য হলো এই একে-৭৪এম। অনেকে বলে থাকে রাশিয়ায় কালাশনিকভ তৈরি না হলে এই বন্দুকই হতো অন্যতম সেরা রাইফেল।

জি ৩ অ্যাসল্ট রাইফেল
৫০ থেকে ৯০ শতক পর্যন্ত রুশ সেনার অন্যতম বেশি ব্যবহার করত ডি৩ অ্যাসল্ট রাইফেল। কেবল রাশিয়া নয়, ৭৫টি দেশে ব্যবহৃত হয় এই বন্দুক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here